ঢাকা      মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
IMG-LOGO
শিরোনাম

কোভিড-১৯ পরবর্তী পরিবর্তিত বিশ্ববাণিজ্যের সুযোগ গ্রহণের সুযোগ এসেছে: টিপু মুনশি

IMG
20 May 2020, 8:24 PM

ঢাকা, বাংলাদেশ গ্লোবাল: বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, কোভিড-১৯ পরবর্তী পরিবর্তিত বিশ্ববাণিজ্যের সুযোগ গ্রহণের সুযোগ এসেছে। বাংলাদেশ বিশ্ববাণিজ্য প্রতিযোগিতায় অনেক এগিয়ে গেছে। বিশ্বের বিনিয়োগকারীগণ বিনিয়োগের নতুন স্থান সন্ধান করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ১০০টি স্পেশাল ইকনোমিক জোনে বিশ্বের অনেক দেশ ও প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগের জন্য ইতোমধ্যে এগিয়ে এসেছে। চলমান বিশ্বপরিস্থিতিতে জাপান চীন থেকে তাদের বিনিয়োগ অন্য দেশে স্থানান্তরের কথা বলছে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এতে করে বাংলাদেশের জন্য একাট সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ জন্য বাংলাদেশকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। বাণিজ্য সহজিকরণ এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য সুযোগ সুবিধা বিশ্ববাসীকে জানাতে হবে। বিনিয়োগকারীগণ ঝামেলা মুক্ত বিনিয়োগের পরিবেশ চায়। বিশ্বের সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের তালিকা তৈরী করে তাদের কাছে বাংলাদেশে বিনিয়োগ পলিচি এবং সুযোগ সুবিধাগুলো তুলে ধরতে হবে। ডাইরেক্ট ফরেন ইনভেষ্টমেন্ট(এফডিআই)-এর জন্য বাংলাদেশেল সামনে সুযোগ এসেছে, এ সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে।বাংলাদেশকে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আজ (২০ মে) বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সার্বিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “বাণিজ্য সহায়ক পরামর্শক কমিটির” ৭ম সভায় সভাপতিত্ব করে এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এবং অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ.কে. আব্দুল মোমেন এবং প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমই এর প্রেসিডেন্ট ড. রুবানা হক।

অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ.কে. আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দু’টি খাত একটি রপ্তানি অপরটি রেমিটেন্স। চলমান পরিস্থিতিতে তৈরী পোশাক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ক্রয় আদেশ বাতিল না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনেক দেশ ইতোমধ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ক্রয় আদেশ বাতিল করবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে ঔষধ আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশীদের যাতে থাকা, খাওয়া ও চিকিৎসার কোন সমস্যা না হয়, সেজন্য অনুরোধ জাননো হয়েছে। এ দায়িত্ব পালনের নিশ্চয়তা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো। সময়পযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করলে বাংলাদেশে বিনিয়োগ আসবে এবং রপ্তানিও অনেক বাড়বে।

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, দেশে শিল্প কলকারখানা স্থাপনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগ বান্ধব নীতি গ্রহণ করেছে। আমাদের বিনিয়োগ পলিচি বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জানাতে হবে। আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত। দেশে বিশল্প কারখানা গড়ে উঠলে কর্মসংস্থান বাড়বে।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান বলেন, বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশের সামনে সুযোগ এসেছে। সময় নষ্ট না করে এ সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। দ্রুত তালিকা তৈরী করে বিনিয়োগকারীদের সাথে যোগযোগ করে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পলিচি ও সুযোগ সুবিধা ও সম্ভাবনা তুলে ধরতে হবে। প্রয়োজনে এজন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করা যেতে পারে।

সাম্প্রতিক খবর জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

সর্বশেষ খবর

আরো পড়ুন