ঢাকা      বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২০, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
IMG-LOGO
শিরোনাম

আম্পানে চুয়াডাঙ্গার আমসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

IMG
22 May 2020, 11:40 PM

চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ গ্লোবাল: ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডবে চুয়াডাঙ্গার প্রধান অর্থকারী ফসল আম, কলা, পান ও সবজী ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে হাজার হাজার কৃষক চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে আম ও কলা চাষিরা। তাদের বেশিরভাগ জমির আম ঝরে পড়েছে। ভেঙ্গে গেছে হাজার হাজার কলাগাছ। আর ১০/১২ দিন পরেই আম ও কলা বাজারজাত করতে পারত।

চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আম, কলা, পান, সবজী, ধানসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল ঝড়ে নষ্ট হয়েছে। যার কারণে কৃষকদের এ মৌসুমে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।


চুয়াডাঙ্গার চার উপজেলায় বিভিন্ন জাতের ১৯৫০ হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। এর মধ্যে ১১৭২ হেক্টর জমির আম ঝরে পড়েছে। পান চাষ হয়েছে ১৬১৭ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে পান বরজ নষ্ট হয়েছে ৬২৭ হেক্টর। কলা চাষ হয়েছে ১৮০৪ হেক্টর জমিতে। বিক্রির উপযোগী কলা নষ্ট হয়েছে ৬৬৪ হেক্টর জমির। বোরো ধানের ক্ষতি হয়েছে দুই হাজার হেক্টর জমির। জেলা জুড়ে সবজি চাষ হয়েছে ৭৩৭৫ হেক্টর। ঝড় ও পানিতে নষ্ট হয়েছে ১৭৭৪ হেক্টর জমির সবজির।


চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গাইদঘাট গ্রামের আম বাগান মালিক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমার ছোট-বড় মিলিয়ে তিনটি আমের বাগান রয়েছে। ঝড়ে বাগানের প্রায় ৭০ ভাগ আম পড়ে গেছে। যার কারণে পুরো লোকসান হবে। কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি হলো এই মৌসুমে। কাঁচা আমের দাম নেই। তাই বাগানে ফেলে রাখতে হচ্ছে। কারণ জন পাট খরচ আম বাজারে নিতে যে খরচ হবে সে টাকা উঠবে না।

দামুড়হুদা উপজেলার কলাবাড়ি গ্রামের কৃষক রোকন মিয়া বলেন, মাঠে সাড়ে চার বিঘা জমিতে পাকা ধান রয়েছে। ঝড়ের কারণে পানির নিচে তলিয়ে গেছে ধান। সব ধান নষ্ট হয়ে যাবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপপরিচালক সুফি রফিকুজ্জামান বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে চুয়াডাঙ্গায় আম, কলা ও সবজিসহ বেশি ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছে। কি পরিমানে ক্ষতি হয়েছে তা এখনো পুরোপুরি নিরুপন করা সম্ভব হয়নি।

সাম্প্রতিক খবর জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

সর্বশেষ খবর

আরো পড়ুন