ঢাকা      মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
IMG-LOGO
শিরোনাম

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় আমন ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত কৃষকরা

IMG
21 November 2020, 12:21 PM

বগুড়া,বাংলাদেশ গ্লোবাল: বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় রাপা আমন ধান ঘরে তুলতে ব্যাস্ত সময় পাড় করছেন কৃষকরা। কৃষকদের এতটুকু হাতে সময় নেই। মাঠের সোনাফসল ঘরে তুলে কৃষানির জন্য নতুন শাড়ি আর অসছলতার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য দিন রাত পরিশ্রম চলছে।

সকাল থেকে ধান কাটা ও সেই ধান মাঠ থেকে ঘরে তুলতে যেন সন্ধ্যা গড়িয়ে আধার নেমে আসছে। কৃষানিদের ধান গাছের খড় ও ময়লা ধান গুলা পরিষ্কার করার ব্যস্ততায় সময় কাটছে। আগাম জাতের ধান বিনা-৭ ও ব্রি ধান-৪৯ ঘরে তুলতে কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। আগাম জাতের ধান বিক্রি করে চাষিরা অনেকটাই অর্থ সঙ্কট থকে রেহাই পান ।

এবার দুপচাঁচিয়া উপজলায় ১১হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮'শত হেক্টর বেশি জমিতে রাপা আমন ধানের চাষ হয়েছে। অর্জিত ১১হাজার ৫'শত হেক্টর জমিতে উফশি এবং ৩'শত হক্টর জমিতে হাইব্রিড ধানের চাষ করা হয়েছে। প্রধান কিছু জাত বেশি প্রাধান্য দেন এ অঞ্চলের কৃষকরা, যে গুলার মধ্যে উল্লখযোগ্য বিনা-৭, ব্রি-৪৯, ৫০, রনজিৎ, স্বর্না, মামুন, কাটারী ভোগ, আতপ জাতের ধান ।

উপজেলার বিভিন্য ইউনিয়ন ঘুরে এবং কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অগ্রাহয়ন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে রোপা আমন কাটা শুরু হয়েছে। আশ্বিন ও কার্তিক এ দুই মাস চাষিরা বিশেষ করে প্রকৃত চাষিরা অভাব-অনটনের মধ্যে থাকেন। তাই আগাম জাতের ধান বাজার আসায় চাষিরা সেই ধান আবাদের জন্য ঝুকে পড়েছেন। এবার রনজিৎ প্রতি বিঘা প্রায় ১২-১৪ মন ফলন হয়েছে। বীজতলা থেকে শুরু করে রাপা আমন ঘরে তুলতে যে পরিমান খরচ হয়ছে তাতে বর্তমান ধানের ভালো দাম থাকায় কৃষকরা খুশি। বর্তমান রনজিৎ জাতের ধান বাজারে ১১০০থেকে ১১৫০টাকা মন বেঁচাকনা হচ্ছে।

উপজেলার ভাটাহার গ্রামের কৃষক ইয়াছিন আলী, হাপুনিয়া গ্রামের কৃষক মাজাহার হাসন, জানান এবার রাপা আমন ধানের ফলন কিছুটা কম হলেও দাম ভালো থাকায় আমরা খুশি। রাপা আমন ধান বিক্রয় করে আলু ও সরিষা চাষের জন্য অর্থ যোগান চলছে। হাপু নিয়া গ্রামের কৃষক তোজাম বলেন করোনা ভাইরাসের কারনে আমাদের অন্যদিকে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

আমরা এই আগাম জাতের ধান তুলে ক্ষতি পূরণ করতে চাই। আমরা এই ফসল বিক্রয় করে আমাদের সন্তানদের নিয়ে ভালো থাকার আশা করছি এবং আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য আমরা অনেক ভাবে চিন্তিত। আমরা হতাশায় ভুগছি তাই ভালো ফলন হয়েছে এবার তাই কিছু আশার মুখ দেখছি।

উপজলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাজেদুল আলম বলেন, দুপচাঁচিয়া অঞ্চলের আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবং ভালো ফলন হওয়ায় ধান চাষে আগ্রহী এই অঞ্চলর কৃষকগন।

সাম্প্রতিক খবর জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

IMG

এ বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ খবর

আরো পড়ুন