ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, বাংলাদেশ গ্লোবাল: মিয়ানমার ২০১৭ সালে এক অভিযানে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালিয়েছে, এমন অভিযোগ এনে জাতিসংঘের বিচার আদালতে ২০১৯ সালে মামলা করেছিল গাম্বিয়া৷ আজ সোমবার এই মামলার শুনানি শুরু হচ্ছে৷ চলতে পারে তিন সপ্তাহ৷
আইন বিশেষজ্ঞরা এই মামলার গতিপ্রকৃতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন৷ কারণ, গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে আইসিজেতে একই রকম মামলা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা৷ ফলে আইসিজে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা মামলাটি কীভাবে পরিচালনা করছে তা দেখে ইসরাইলের বিরুদ্ধে করা মামলার পরিণতি সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা৷
মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবং বৌদ্ধ মিলিশিয়াদের সহিংসতা থেকে পালিয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন৷ রাখাইনে গণধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ এবং হত্যার ভয়াবহ বিবরণ তুলে ধরেন তারা৷ কক্সবাজারে আট হাজার একর জমির উপর বিস্তৃত জরাজীর্ণ শিবিরে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বাস করছেন৷
পশ্চিম আফ্রিকার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ গাম্বিয়া ২০১৯ সালে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আইসিজেতে এ নিয়ে মামলা দায়ের করে৷ সোমবার (১২ জানুয়ারি) তিন সপ্তাহের এই শুনানি শুরু হচ্ছে৷
১৯৪৮ সালের গণহত্যা কনভেনশনের অধীনে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে যে কোনো দেশ আইসিজেতে অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে৷
এই মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মিয়ানমারের দাবি ২০২২ সালে খারিজ করে দেয় আদালত৷ বিচারকরা জানিয়েছেন, গণহত্যা ইস্যুতে রায় দেওয়ার ক্ষমতা তাদের রয়েছে৷
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে কয়েক মাস বা এমনকি বছরও লেগে যেতে পারে৷ সিদ্ধান্ত কার্যকরের ক্ষমতা আইসিজের নেই। তবে গাম্বিয়ার পক্ষে রায় এলে মিয়ানমারের উপর আরও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে৷
ব্রেকিং নিউজ, এই মুহূর্তের খবর, প্রতিদিনের সর্বশেষ খবর, লেটেস্ট নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ আপডেট নিউজ পেতে ভিজিট করুন www.bangladeshglobal.com