ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, বাংলাদেশ গ্লোবাল: "মানুষ আমাদের সাহায্য করেছিলো এবং আমরা একটি গাড়িতে উঠেছিলাম... আমি বলেছিলাম, আমাদের হাসপাতালে নিও না"। তারা (ছদ্মনাম) নামের একজন বিক্ষোভকারী এবং তার বন্ধু ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ইসফাহানে একটি বিক্ষোভে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। ঠিক তখনই মোটর সাইকেলে করে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা আসে এবং জনগণের উদ্দেশ্যে চিৎকার করতে শুরু করে।
"আমার বন্ধু নিরাপত্তা বাহিনীর একজন সশস্ত্র সদস্যকে বললো, 'আমাদের গুলি করো না' এবং সে তখনই আমাদের লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি গুলি চালায়। আমরা মাটিতে পড়ে যাই। আমাদের সব পোশাক রক্তে ভেজা ছিল," বলেন তিনি।
এই লেখায় বিক্ষোভকারীদের নিরাপত্তার কারণে ছদ্মনাম ব্যবহার করা হয়েছে। তারা ও তার বন্ধুদের একজন অপরিচিত ব্যক্তির গাড়িতে তোলা হয়েছিলো। কিন্তু তারা বলছিলো যে, গ্রেফতারের ঝুঁকির কারণে হাসপাতালে যেতে ভয় পাচ্ছিলেন তারা।
"সব গলিপথে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ছিল, তাই আমি সদর দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা এক দম্পতিকে আমাদের ভেতরে ঢুকতে দিতে অনুরোধ করেছিলাম"। তারা জানান, প্রায় ভোর না হওয়া পর্যন্ত তারা ওই দম্পতির বাড়িতেই ছিলেন। এরপর তাদের পরিচিত একজন চিকিৎসককে খুঁজে পান, যিনি তাদের পায়ের ক্ষত পরিষ্কার করে দেন।
তিনি বলেন, বাড়িতেই কিছু ক্ষত অপসারণ করতে সক্ষম হন একজন সার্জন। কিন্তু তিনি তাদের সতর্ক করেছিলেন যে, "এগুলো পরে অপসারণ করা যাবে না এবং আপনার শরীরে থেকে যাবে"।
এ মাসে ইরানজুড়ে সরকার বিরোধী আন্দোলনের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের ফলে কী পরিমাণ হতাহত হয়েছে তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য এখনো জানা যায়নি। কারণ ইন্টারনেট বন্ধ এবং বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের রিপোর্টিং নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ব্রেকিং নিউজ, এই মুহূর্তের খবর, প্রতিদিনের সর্বশেষ খবর, লেটেস্ট নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ আপডেট নিউজ পেতে ভিজিট করুন www.bangladeshglobal.com