ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, বাংলাদেশ গ্লোবাল: ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের ফলে পাকিস্তানে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান সাময়িকভাবে স্কুল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়াও মন্ত্রী, পরামর্শদাতারা বেতন নেবেন না, আইনসভার সদস্যরা ২৫ শতাংশ কম বেতন পাবেন। ইফতার পার্টির উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাসের ব্যবহারে রাশ টানতে একাধিক ব্যবস্থার কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি সরকারি খরচ কমাতে চান এবং এইভাবে আর্থিক সংকটের মোকাবিলা করতে চান।
পাকিস্তানে আগামী সোমবার থেকে সব স্কুল দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকবে। এর ফলে প্রায় চার কোটি পড়ুয়া প্রভাবিত হবে। এই সময়ে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অনলাইন ক্লাস চলবে।
রেডিও পাকিস্তান জানিয়েছে, কর্তৃপক্ষ ইফতার ও ডিনার পার্টির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সরকারি অফিস, ব্যাংকগুলি সপ্তাহে চারদিন খোলা রাখা নিয়ে আলোচনা চলছে। অর্ধেকের বেশি সরকারি কর্মী বাড়ি থেকে কাজ করবেন। সরকারি গাড়ির সংখ্যাও অর্ধেক করে দেওয়া হচ্ছে। তবে অ্যাম্বুলেন্স ও সরকারি বাস কমানো হবে না।
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ মন্ত্রিসভার বৈঠকে বলেছেন, মন্ত্রী ও পরামর্শদাতারা তাদের বেতন ও ভাতা নেবেন না। আইনসভার সদস্যরা ২৫ শতাংশ বেতন কম পাবেন। নতুন সরকারি গাড়ি কেনা জুন মাস পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
ব্রেকিং নিউজ, এই মুহূর্তের খবর, প্রতিদিনের সর্বশেষ খবর, লেটেস্ট নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ আপডেট নিউজ পেতে ভিজিট করুন www.bangladeshglobal.com