ঢাকা      বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিরোনাম

মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

IMG
21 May 2026, 3:57 AM

শরীফুল ইসলাম, সাভার: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের একটি গ্রহণযোগ্য স্থানে নিয়ে যাওয়া। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আমরা একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, সমাজের অন্যান্য ছেলেমেয়েরা যেভাবে গড়ে ওঠে, আমরা চাই আমাদের প্রতিবন্ধী ছেলেমেয়েরাও একইভাবে গড়ে উঠুক। বুধবার ঢাকার সাভারে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন শিক্ষা কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ ও খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে সাভারে ‘বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ’ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই ক্রীড়া কমপ্লেক্সে থাকবে বিভিন্ন দেশের মতো আধুনিক স্পোর্টস লার্নিং, মেডিকেল ফিজিওথেরাপি, জিমনেশিয়াম, সুইমিং পুল, মসজিদ, ইনডোর ও আউটডোর গেমিং ব্যবস্থা।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধী ছেলেমেয়ে, শারীরিক প্রতিবন্ধী, মানসিক প্রতিবন্ধী, সাইকোলজিক্যাল ও ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধীসহ প্রায় ১১ ধরনের প্রতিবন্ধী রয়েছে। এই প্রতিবন্ধীদের খেলাধুলার জন্য সারা পৃথিবীতে আলাদা অলিম্পিক হয়, যেটাকে বলা হয় ‘প্যারা অলিম্পিক’।

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, আমাদের দেশের অনেক প্রতিবন্ধী আন্তর্জাতিক প্যারা অলিম্পিক খেলায় অংশগ্রহণ করে দেশের জন্য সুনাম বয়ে এনেছে। অনেকে স্বর্ণপদকও বিজয়ী হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা চাই তাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে এমনভাবে গড়ে তুলতে, যাতে সমাজে তারা গ্রহণযোগ্য অবস্থানে যেতে পারে, দক্ষতা অর্জন করতে পারে। এজন্য স্কুল, শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের পাশাপাশি তাদের শারীরিক গঠন ও খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করার জন্য এই প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, প্রকল্পটি নেওয়ার পর মাঝখানে কিছু জটিলতার কারণে কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। তবে প্রতিবন্ধীদের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যে নির্বাচনী কমিটমেন্ট ছিল, তা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, ইনডোর ও আউটডোর গেমিং সুযোগ-সুবিধা কীভাবে আরো যুগোপযোগী ও আধুনিকায়ন করা যায়, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। কারণ প্রকল্পটি ২০২১ সালে নেওয়া হলেও ২০২৬ সাল পর্যন্ত এসে মাত্র ১০ শতাংশ কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে। এর বিভিন্ন কারণ আছে। প্রকল্পটি নেওয়ার পরও কার্যক্রম শুরু হয়নি, মাঝখানে কিছু জটিলতার কারণে কাজ বন্ধ ছিল। এখন আবার কাজ শুরু হয়েছে। আগামী দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে। সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ব্রেকিং নিউজ, এই মুহূর্তের খবর, প্রতিদিনের সর্বশেষ খবর, লেটেস্ট নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ আপডেট নিউজ পেতে ভিজিট করুন www.bangladeshglobal.com

এ বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ খবর

আরো পড়ুন