ঢাকা      শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ৮ কার্তিক ১৪২৮
IMG-LOGO
শিরোনাম

চামড়া শিল্পখাতে সুইজারল্যান্ডের উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করতে চায়: সুইস রাষ্ট্রদূত

IMG
11 October 2021, 2:24 AM

ঢাকা, বাংলাদেশ গ্লোবাল: বাংলাদেশের চামড়া শিল্পখাতে সুইজারল্যান্ডের উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করতে চায়। রোববার (১০ অক্টোবর) শিল্প ভবনে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে ঢাকায় নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড সেদেশের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশের চামড়া শিল্পে বিনিয়োগের আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেন।

সুইস আগ্রহকে সাধুবাদ জানিয়ে শিল্পমন্ত্রী বলেন, রাজধানী ঢাকার অদূরে সাভারস্থ ট্যানারী শিল্পনগরীতে কেন্দ্রীয়ভাবে বর্জ্য পরিশোধনাগার প্ল্যান্ট (সিইটিপি) বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এবং এ সংক্রান্ত সকল সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে সুইস উদ্যোক্তাদের যে কোনো ধরণের পরামর্শ গ্রহণ করা হবে। এর পাশাপাশি বিনিয়োগকারিদেরও বাংলাদেশ সরকার প্রযোজনীয় সহযোগিতা করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সুইস রাষ্ট্রদূত এ সময় জুরিখভিত্তিক একটি ট্যানারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের চিঠি মন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন। তিনি সরেজমিনে সাভারের ট্যানারী শিল্পনগরী পরিদর্শনের আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন ১৯৭২ সাল থেকে সুইজারল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের কথা তুলে ধরে বলেন, মানবিক উন্নয়ন খাতে সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। এছাড়াও রসায়ন শিল্প, ওষুধ, অবকাঠামো, কারিগরি সেবা এবং ভোগ্যপণ্যখাতে সুইস বিনিয়োগ উল্লেখ করার মত। তিনি এসব খাতে সুইস উদ্যোক্তাদের আরও বিনিয়োগের আহবান জানান।

বৈঠকে মেধাসম্পদ সুরক্ষায় নতুন নতুন উদ্ভাবনের পেটেন্ট, ডিজাইন, পণ্য ও সেবার ট্রেমার্কস্ এবং ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) ইস্যুতে একযোগে কাজ করার ব্যাপারে উভয় পক্ষ সম্মত হন। এ বিষয়ে বাংলাদেশের কি ধরণের সহযোগিতা দরকার, তা জানানোর জন্যও রাষ্ট্রদূত অনুরোধ জানান।

শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের বস্ত্র ও পোশাক আমদানি বাড়ানোর জন্য সুইস রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহবান জানান।

এদিকে রোববার বিকালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ এক দশকে প্রায় ৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সুইস ফেডারেল কাস্টমস প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী ২০২০ সালে দু’দেশের মধ্যে প্রায় ৮১ কোটি ফ্রাঙ্ক সমমূল্যের পণ্য লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ রফতানি করেছে ৬৮ কোটি সুইস ফ্রাঙ্ক এবং বাংলাদেশ আমদানি করেছে ১৩ কোটি সুইস ফ্রাঙ্ক মূল্যের পণ্য।


বাংলাদেশ গ্লোবাল/এমএফ

এ বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ খবর

আরো পড়ুন