ঢাকা      বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
IMG-LOGO
শিরোনাম

'পদ্ম সৌন্দর্য্য ছড়াচ্ছে চাটমোহরে'

IMG
12 October 2021, 7:45 PM

কলিট তালুকদার,পাবনা, বাংলাদেশ গ্লোবাল: পাবনার চাটমোহর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে মূলগ্রাম ইউনিয়নের সুঁইগ্রামে অবস্থিত কলমীগাড়া বিল। সবুজে ঘেরা গ্রামে প্রথমে পিচঢালা, পরে মেঠোপথ পেরিয়ে পৌঁছাতে হয় প্রত্যন্ত গ্রামের বিলটিতে।

চারপাশে ধান ক্ষেত। মাঝের বেশকিছু অংশ জুড়ে পদ্ম ফুলের সমারোহ। সবুজ পাতার মাঝে মাথা নুইয়ে দাঁড়িয়ে আছে সাদা-গোলাপী রঙের একেকটি পদ্ম। শেষ বিকেলে যেন মোহনীয় আবেশ তৈরী হয় বিলে। আর এই সময়ে পদ্ম প্রেমে মুগ্ধতা ছড়ায় প্রকৃতি প্রেমীদের মাঝে। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত এই দু’টি সময়ে পদ্ম ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এলাকাবাসীর পাশাপাশি প্রতিদিন দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসছেন এ বিলের পাড়ে।

কলমীগাড়া বিলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিলের চারপাশে সবুজ ধানক্ষেত আর মাঝখানে ফুটে আছে সাদা-গোলাপী রঙের পদ্ম ফুল। কোনোটি আবার নিজেকে গুটিয়ে রেখেছে। সূর্যাস্তের সাথে পদ্মফুলের রঙ, রুপ তৈরী করে মোহনী আবেশ। প্রকৃতি প্রেমিদের এই বিল ডাকে। কিন্তু কিছু সমস্যাও আছে পদ্ম ফুলের সৌন্দর্যের মাঝে। বিলে যাতায়াতের তেমন ব্যবস্থা নেই।

ডিঙি নৌকায় দু’জনের বেশি উঠা যায় না। আর প্রকৃতিগতভাবে বেড়ে উঠা পদ্মবিলের মাঝে মাঝে কচুরিপানা ও অন্যান্য আগাছা রয়েছে। যেগুলো পরিকিল্পতভাবে নিরসন করা গেলে সৌন্দর্য আরো উপভোগ্য হবে।

স্থানীয়রা জানান, কলমীগাড়া বিলে সাধারণত বর্ষা মৌসুমে পদ্ম ফুল ফোটা শুরু হয়। শরৎকালে বেশি ফুল ফোটে। এখানে কেউ পদ্ম ফুলের চাষ করে না। বছরের পর বছর ধরে প্রাকৃতিকভাবে এ বিলে পদ্ম ফুল ফুটে আসছে। বিলের নিচু এলাকার কিছু জমি চাষাবাদের আওতায় আসায় পদ্ম বিলের পরিধি অতীতের চেয়ে এখন অনেক কমে গেছে।

৫০ বছর বয়সী স্থানীয় বাসিন্দা আবেদ আলী জানান, তিনি পাঁচ বছর ধরে বছরের ছয় মাস কলমীগাড়া বিলের পদ্ম ফুল, পদ্ম চাক ও পদ্ম পাতা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। সকালে বাড়ির পাশের বিল থেকে প্রায় দুই ঘন্টা পদ্ম ফুল, পদ্ম চাক ও পদ্ম পাতা তোলেন তিনি।

দশটি পদ্ম ফুলের এক আঁটি ১৫ টাকায়, ছয়টি পদ্ম চাক ১০ টাকায় এবং প্রতিটি পদ্ম পাতা ৬ টাকায় বিক্রি করেন। পদ্মফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে বিলটিকে পরিকল্পিত ভাবে সাজানো হবে এমনটাই প্রত্যাশা প্রকৃতি প্রেমীদের।



বাংলাদেশ গ্লোবাল/এমএন

সর্বশেষ খবর

আরো পড়ুন