ঢাকা      বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
IMG-LOGO
শিরোনাম

দায়িত্ব নেয়ার আগেই পদত্যাগ সুইড প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর

IMG
25 November 2021, 9:30 AM

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, বাংলাদেশ গ্লোবাল: সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্রেটস পার্টির নেতা ম্যাগদালিনা অ্যান্ডারসনকে দেশটির ইতিহাসের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অনুমোদন দেয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই তিনি পদত্যাগ করেছেন।

স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় সংসদে বাজেট ডিফিট এবং দুই দলীয় সংখ্যালঘু সরকারে জোট শরিককে হারানোর পর তিনি পদত্যাগ করেন।

বৃটিশ পত্রিকা ইন্ডিপেন্ডেন্ট এর প্রতিবেদনে বলা হয়- এক সংবাদ সম্মেলনে ম্যাগদালিনা অ্যান্ডারসন বলেন, আমার জন্য এটা সম্মানের, তবে আমি এমন কোনো সরকারকে নেতৃত্ব দিতে চাই না যার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার মতো কারণ থাকতে পারে।

এর আগে সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ম্যাগদালেনা অ্যান্ডারসনকে অনুমোদন দেয় দেশটির পার্লামেন্ট। বুধবার দেশটির পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। সুইডেনই একমাত্র নর্ডিক দেশ যেখানে এর আগে কোনো নারীকে জাতীয় সংসদ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়নি।

মিসেস অ্যান্ডারসন বর্তমানে দেশটির অর্থমন্ত্রী হলেও বুধবারের ভোটে তিনি জিততে পারেননি। তারপরও তিনি নির্বাচিত হন, কারণ সুইডিশ আইন অনুযায়ী নির্বাচিত হতে তার শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠ এমপির প্রয়োজন ছিল।

প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য সুইডেনের ৩৪৯ আসনের সংসদে অ্যান্ডারসনের পক্ষে ভোট দেন ১১৭ জন, ভোটদান থেকে বিরত ছিলেন ৫৭ জন, বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ১৭৪ জন এবং একজন অনুপস্থিত ছিলেন।

সুইডেনের সংবিধান অনুযায়ী, সংসদে একজন প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীর জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতার সমর্থনের দরকার হয় না। তবে তার বিপক্ষে ১৭৫ জনের কম ভোট থাকতে হয়।

চলতি মাসে ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের নেতা নির্বাচিত হন ৫৪ বছর বয়সী এই নেত্রী। গত মঙ্গলবার বামপন্থীদের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হয় তাঁর। পেনশনের পরিমাণ বৃদ্ধির শর্তে অ্যান্ডারসনকে সমর্থন দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিল লেফট পার্টি।

সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের জোটের অংশীদার গ্রিন আর সেন্টার পার্টির সমর্থনও আগেই নিশ্চিত করেছিলেন অ্যান্ডারসন। তবে পার্লামেন্টে গতকালের ভোটের আগে বড় ধাক্কা খেতে হয় তাঁকে। এই দুই দলের এমপিরা অ্যান্ডারসনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে বাধা না দিলেও লেফট পার্টির প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল হলে সরকারের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের হুমকি দেন। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার কথা ছিলো অ্যান্ডারসন।

১০ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী স্টেফান লোফভেন পদত্যাগ করেন। ২০১৪ সাল থেকে গ্রিন পার্টিকে সঙ্গে নিয়ে সংখ্যালঘু জোটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন তিনি। চলতি বছরের শুরুর দিকে স্টেফান বলেছিলেন, দলের পরবর্তী নেতৃত্বকে যথেষ্ট সময় দিতে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের সাধারণ নির্বাচনের আগে পদত্যাগ করবেন।

বাংলাদেশ গ্লোবাল/এমএস

সর্বশেষ খবর

আরো পড়ুন